Web Analytics

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সিনিয়র প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম বলেছেন, বরখাস্ত জেনারেল জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের উপস্থাপিত সাক্ষ্যপ্রমাণে সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রোববার ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, তিনটি চার্জের বিভিন্ন কাউন্টে ১০৪ জনকে হত্যা ও গুমের অভিযোগ আনা হয়েছে।

মিজানুল ইসলাম বলেন, মামলার ত্রয়োদশ ও সর্বশেষ ম্যাটেরিয়াল উইটনেস মেজর (অব.) সাব্বির রহমান ওসমানীর জেরা শেষ হয়েছে। প্রসিকিউশন দালিলিক, প্রত্যক্ষদর্শী ও পারিপার্শ্বিক সাক্ষ্য উপস্থাপন করেছে বলে তিনি জানান। মাঝি আলকাস মল্লিকের অপহরণের ঘটনা ছাড়া প্রতিটি ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী হাজির করা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। এসব সাক্ষীর মধ্যে জিয়াউলের বাহিনীর সদস্য, তাঁর অধীনস্থ এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও রয়েছেন।

প্রসিকিউটর বলেন, শাস্তি দেওয়ার এখতিয়ার তাঁদের নেই, তবে যুক্তিতর্কের সময় সর্বোচ্চ শাস্তি চাওয়া হবে। মামলার সমাপ্তি ও রায়ের সময় নির্ধারণ ট্রাইব্যুনালের দায়িত্ব বলেও তিনি উল্লেখ করেন। বাদীপক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণ এখনো শেষ হয়নি, তবে স্বাভাবিক গতিতে চললে অক্টোবরের মধ্যে উভয় পক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষ হতে পারে। অন্য গুমের মামলা থেমে আছে—এমন মতের সঙ্গে তিনি একমত নন।

Card image

Related Rumors

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।