ইউরোপীয় দেশগুলো জ্বালানি মজুত থেকে ডিজেল ছাড়তে অস্বীকৃতি জানালে যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার হুমকি ‘সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান’ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ইউরোপীয় কমিশনের মুখপাত্র আনা-কাইসা ইতকোনেন বলেন, এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা কারও জন্য সুফল বয়ে আনবে না এবং নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ইউরোপের আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত করবে। হুমকিটি কোথায় বা কখন দেওয়া হয়েছে, তা প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।
ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে ডিজেলের দাম বাড়ার প্রেক্ষাপটে এ মতবিরোধ দেখা দিয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, দাম নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপীয় দেশগুলোকে তাদের মজুত থেকে ডিজেল ছাড়তে অনুরোধ করতে পারে। এর এক দিন আগে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ইউরোপকে ‘অবিলম্বে’ জ্বালানি মজুত ব্যবহারের আহ্বান জানান।
ইতকোনেন জানান, ইইউর তেল সমন্বয়ক দলের পরবর্তী বৈঠক ১৫ অক্টোবর হওয়ার কথা রয়েছে, তবে প্রয়োজন হলে তা নির্ধারিত সময়ের আগেই আয়োজন করা হতে পারে। ইরানকে ঘিরে চলমান সংকট জ্বালানি সরবরাহ ও দামের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। এই পরিস্থিতিতে জ্বালানি মজুত ব্যবহারের প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের মধ্যে নতুন করে মতবিরোধ তৈরি হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।