খেলাপি ঋণ আদায়, আমানতকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং আটকে থাকা অর্থ উদ্ধারে একীভূত পাঁচ ইসলামী ব্যাংক ১০ হাজার মামলা করেছে। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে ব্যাংক রেজল্যুশন ডিপার্টমেন্টের সভায় ঋণ আদায় ও পুনর্গঠন কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনার সময় এ তথ্য জানানো হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র শাহরিয়ার সিদ্দিকী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সভায় বলা হয়, প্রচলিত আইনি ব্যবস্থার পাশাপাশি এক্সিট পলিসি ও অলটারনেটিভ ডিসপিউট রেজল্যুশনের মতো সমঝোতাভিত্তিক বিকল্প পদ্ধতিও গ্রহণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে দ্রুত ঋণ আদায় ও বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্যোগ চলছে। আগের মালিকানা ও ব্যবস্থাপনার সময়ে অনিয়ম, দুর্নীতি, ঋণ জালিয়াতি এবং সম্পদ অপব্যবহারের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে পরিচালিত ফরেনসিক অডিটও চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, স্বতন্ত্র পরিচালকদের প্রাধান্য দিয়ে পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করা হয়েছে এবং ১৬ জুলাই প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়। প্রায় ১৬ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীর কাঠামোগত সমন্বয় চূড়ান্ত হয়েছে। পাঁচ ব্যাংকের যেকোনো শাখা থেকে আমানত তোলার জন্য কমন ইন্টারফেস চালুর কাজ সম্পন্ন হয়েছে; ৭৮০টি শাখা ও ১ হাজার ৫০০টি ব্যবসায়িক ইউনিটের একীভূতকরণ ও পুনর্বিন্যাস চলমান রয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।