ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ডাকসু ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান ফেসবুকে এক পোস্টে বলেন, জামায়াতে ইসলামীর এক সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ফাঁস হয়েছে, যা রিউমর স্ক্যানার নিশ্চিত করেছে বাস্তব ভিডিও হিসেবে। জেলা জামায়াত দাবি করেছে, ভিডিওতে থাকা নারী ওই এমপির দ্বিতীয় স্ত্রী, তবে বিয়ের তারিখ বা প্রামাণ্য দলিল সম্পর্কে কোনো স্পষ্ট তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
আবিদ বলেন, একজন জনপ্রতিনিধির এমন আচরণ নৈতিক ও জবাবদিহিতার প্রশ্ন তোলে। তিনি উল্লেখ করেন, ওই এমপি নির্বাচনের আগেও নারী বিদ্বেষী মনোভাব প্রকাশ করেছিলেন, যা দলের অবস্থান হিসেবে দেখা যায়। তবে এই অনৈতিক আচরণও কি দলের অবস্থান—এই প্রশ্ন তোলেন তিনি। তার মতে, জামায়াত ও জাতীয় সংসদ উভয়েরই উচিত দ্রুত ও স্বচ্ছ অবস্থান নেওয়া, কারণ নীরবতা দলের নৈতিক অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
তিনি আরও বলেন, যদি ভিডিওতে থাকা নারী অপ্রাপ্তবয়স্ক হন বা সম্মতির প্রশ্ন থাকে, তাহলে বিষয়টি ব্যক্তিগত নয়, বরং ফৌজদারি তদন্তের আওতায় আসা উচিত।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।