কপ-৩১ সামনে রেখে শনিবার রাজধানীর একটি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বাংলাদেশের নীতিনির্ধারক ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা ঋণের বদলে অনুদানভিত্তিক জলবায়ু অর্থায়নের দাবি জানান। তারা বলেন, আন্তর্জাতিক জলবায়ু আলোচনায় বাংলাদেশের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির ব্যবধান কমাতে সরকার, বেসরকারি খাত, নাগরিক সমাজ ও বিশেষজ্ঞদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। ‘জনবান্ধব জলবায়ু নীতি: কপ-৩১ এ বাংলাদেশের অবস্থান’ শীর্ষক সংলাপে দেশের অবস্থানপত্রের মূল দাবি ও সুপারিশ তুলে ধরা হয়।
প্রধান অতিথি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, প্যারিস জলবায়ু চুক্তির এক দশক পর অঙ্গীকারের পাশাপাশি বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিশ্চিত করা জরুরি। তিনি বাংলাদেশের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় পর্যাপ্ত অর্থায়ন, অভিযোজন ও প্রশমনে সমান গুরুত্ব এবং আন্তর্জাতিক আলোচনায় স্বচ্ছতা বাড়ানোর কথা বলেন। এ জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পরিবেশ ও জলবায়ুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সমন্বয় জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
বাংলাদেশে জলবায়ু নিয়ে কাজ করা ৩৩টি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং নাগরিক সমাজের যৌথ উদ্যোগে সংলাপটি আয়োজিত হয়। বক্তারা বাংলাদেশের দাবি কার্যকরভাবে উপস্থাপনে নির্ভরযোগ্য তথ্য-প্রমাণ ও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার ওপর জোর দেন। জলবায়ু অর্থায়ন, নীল অর্থনীতি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নগর তাপপ্রবাহ মোকাবিলায় সমন্বিত পরিকল্পনার প্রয়োজনীয়তাও তুলে ধরা হয়। কপ-৩১ এ পরিবেশবান্ধব পাটপণ্য প্রদর্শনে বিশেষ জুট প্যাভিলিয়ন স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।