মহেশখালীর দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল শনিবার, ২২ আগস্ট, পূর্ণ বা প্রায় পূর্ণ সক্ষমতায় চালু হওয়ায় বাংলাদেশে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বেড়েছে। বিপি সিঙ্গাপুরের সরবরাহ করা এলএনজিভর্তি কার্গো এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে ভেড়ার পর তিন দিন বন্ধ থাকার পর আবার গ্যাস সরবরাহ শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি। সামিট এলএনজি টার্মিনাল আগে থেকেই সক্ষমতার চেয়ে বেশি হারে গ্যাস দিচ্ছিল।
এক্সিলারেট প্রাথমিকভাবে দৈনিক প্রায় ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ শুরু করে এবং রাতের মধ্যে ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট পূর্ণ সক্ষমতায় পৌঁছানোর কথা ছিল। সামিট শনিবার ৫৫৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করে। নিরাপত্তাজনিত কারণে সৌদি আরামকোর এলএনজিবাহী জাহাজ ফিরিয়ে দেওয়ার পর ১৯ আগস্ট এক্সিলারেটের সরবরাহ বন্ধ হয়েছিল। ২১ জুলাই জাহাজ থেকে জাহাজে এলএনজি স্থানান্তরের সময় অগ্নিকাণ্ডের পরও টার্মিনালটি দীর্ঘসময় অকেজো ছিল।
পেট্রোবাংলার হিসাবে দৈনিক গ্যাস চাহিদা প্রায় ৩,৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট, যেখানে সরবরাহ নেমেছিল ২,৭০০ মিলিয়ন ঘনফুটে। আগামী কয়েক দিনে পরিস্থিতির আরও উন্নতির আশা করা হলেও শিল্পে গ্যাসের চাপ পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে। সরকার ২০২৯ সালের মধ্যে আরও তিনটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের পরিকল্পনা করছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।