Web Analytics

২০২৬ সালের ১ মে প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, অবৈধ অস্ত্র ও বিচ্ছিন্নতাবাদ পার্বত্য চট্টগ্রাম (সিএইচটি), ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও মিয়ানমারের সীমান্ত এলাকায় জটিল আন্তঃদেশীয় নিরাপত্তা সংকট তৈরি করেছে। আশির দশকে শান্তিবাহিনীর নেতৃত্বে সশস্ত্র আন্দোলন এবং ১৯৯৭ সালের শান্তি চুক্তির পর সেনা শিবির প্রত্যাহারের ফলে নতুন সশস্ত্র গোষ্ঠীর উত্থান এই অস্থিতিশীলতাকে দীর্ঘায়িত করেছে।

প্রবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২১ সালের পর মিয়ানমারের অস্থিরতা সীমান্ত এলাকাকে অস্ত্রের উন্মুক্ত বাজারে পরিণত করেছে, যেখানে একে-সিরিজ রাইফেল ও রকেট লঞ্চারের মতো অস্ত্র সহজলভ্য। লেখক সতর্ক করেছেন, স্বল্পমেয়াদি ভূরাজনৈতিক স্বার্থে অস্থিতিশীলতা সহ্য করলে তা শেষ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রগুলোর জন্যই হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। তিনি বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমারের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় সহযোগিতা, প্রযুক্তিনির্ভর সীমান্ত নজরদারি, রিয়েল-টাইম গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় এবং সীমান্ত জনগোষ্ঠীর উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

বিশ্লেষণটি উপসংহারে বলেছে, রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও যৌথ নিরাপত্তা কাঠামোই এই ছায়া সংঘাতকে বৃহত্তর আঞ্চলিক সংকটে রূপ নেওয়া থেকে রক্ষা করতে পারে।

Card image

Related Rumors

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।