Web Analytics

ইরানের ক্লাস্টার ওয়ারহেড হামলায় ইসরাইলের উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, বিশেষ করে আয়রন ডোম, বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। ২৪ মার্চ ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে অন্তত ১৯টি ইরানি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ক্লাস্টার ওয়ারহেডসহ ইসরাইলে আঘাত হেনেছে, এতে নয়জন নিহত ও ডজনখানেক আহত হয়েছেন। সর্বশেষ রোববারের হামলায় মধ্য ইসরাইলে ১৫ জন আহত হন। ইসরাইলি বাহিনী জানায়, ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় অর্ধেকই ক্লাস্টার ওয়ারহেডযুক্ত ছিল।

বিশেষজ্ঞরা জানান, ক্লাস্টার বোমা আটকানো প্রযুক্তিগতভাবে কঠিন, কারণ মূল ক্ষেপণাস্ত্রটি বিস্ফোরণের আগেই ধ্বংস করতে হয়। ইসরাইলের মাল্টি-টিয়ার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বিভিন্ন উচ্চতায় লক্ষ্যবস্তু ধ্বংসে সক্ষম হলেও মাঝ আকাশে ছড়িয়ে পড়া ছোট বোমাগুলো প্রতিরোধে এটি কঠিন পরীক্ষার মুখে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ইরানের ক্লাস্টার বোমা ব্যবহারের নিন্দা জানিয়ে একে আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন বলেছে, যদিও ইরান ও ইসরাইল কেউই ২০০৮ সালের ক্লাস্টার মিউনিশন কনভেনশনে স্বাক্ষর করেনি।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই কৌশল ইসরাইলের ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ কমিয়ে দিতে পারে, ফলে প্রতিরক্ষা ব্যয় আরও বেড়ে যেতে পারে।

Card image

Related Rumors

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।