কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে বাংলাদেশ সরকার। ডিপফেক তৈরি করে হয়রানি, শিশুদের লক্ষ্য করে অপতৎপরতা এবং ভুয়া কনটেন্ট ছড়ানোর ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে। বুধবার ঢাকার এক অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, দেশ ডিজিটাল ও সাইবার ক্ষেত্রে অপরাধের দ্রুত বিবর্তন প্রত্যক্ষ করছে। তিনি জানান, পুলিশ সদর দপ্তর, ঢাকা মহানগর পুলিশ এবং পুলিশের রেঞ্জ সদর দপ্তরে আধুনিক সাইবার নিরাপত্তা ইউনিট ও গবেষণাগার স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
আইন প্রয়োগকারী ও গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলেছেন, অসৎ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেও এআই ব্যবহার হচ্ছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ‘সাইবার স্কোয়াড’ নামে শনাক্ত কয়েকটি গোষ্ঠী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এআই-তৈরি গুজব ও অপতথ্য ছড়িয়ে রাজনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ, পেশাজীবী ও শিল্পীদের সুনাম ক্ষুণ্নের চেষ্টা করছে। নীতিনির্ধারক ও বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভুয়া কনটেন্ট সামাজিক সম্প্রীতি নষ্ট করছে এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি তৈরি করছে।
বক্তারা প্রস্তাবিত সাইবার নিরাপত্তা (সংশোধন) আইন, ২০২৬ কঠোরভাবে প্রয়োগের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন। তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও মুক্ত গণমাধ্যমের সহায়ক পরিবেশ বজায় রেখে মানহানিকর বক্তব্য, ভুল তথ্য ও অপতথ্য ঠেকাতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বাসসের প্রধান সম্পাদক মুহাম্মদ কাদের গনি চৌধুরী বলেন, আইন প্রয়োগে সতর্কতা এবং নাগরিকের সাইবার অধিকার লঙ্ঘন হলে সরকারি সংস্থার জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।