ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬ তারিখে শিশু রামিসা আক্তার হত্যাকাণ্ডের মামলায় তার বাবা-মা আবেগঘন সাক্ষ্য দেন। মামলার বাদী ও রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা জানান, ঘটনার দিন স্ত্রীর ফোন পেয়ে দ্রুত বাসায় ফিরে এসে দেখেন ভবনের সামনে ভিড়। তৃতীয় তলায় গিয়ে রক্তের দাগ ও মেয়ের বিচ্ছিন্ন মাথা দেখতে পান। পরে পুলিশ এসে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করে এবং তিনি থানায় গিয়ে মামলা দায়ের করেন।
রামিসার মা পারভীন আক্তার বলেন, রান্নার সময় ছোট মেয়েকে খুঁজে না পেয়ে ভবনের বিভিন্ন তলায় খোঁজাখুঁজি করেন। তৃতীয় তলায় আসামিদের ফ্ল্যাটের দরজার নিচে রামিসার জুতা দেখতে পান এবং বারবার দরজা খুলতে বললেও স্বপ্না খাতুন তা খোলেননি। পরে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে বাথরুমে রক্ত দেখতে পান সবাই। তিনি আদালতে বলেন, আসামি সোহেল রানা হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে এবং তার স্ত্রী স্বপ্না তাকে সহযোগিতা করেছেন।
সাক্ষ্য শেষে আব্দুল হান্নান মোল্লা বিমর্ষ অবস্থায় পুলিশের সহায়তায় আদালত ত্যাগ করেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।