সরকারি সিদ্ধান্তে ১ নভেম্বর থেকে দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হলেও সেখানে যেতে পারছেন না পর্যটকেরা। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, বিভিন্ন সংস্থার ছাড়পত্র ও প্রশাসনিক অনুমোদন না পাওয়ায় পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল এখনো শুরু হয়নি। পর্যটক গ্রহণে দ্বীপের প্রায় ১৫০টি হোটেল, রিসোর্ট ও কটেজ প্রস্তুত রয়েছে।
জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, জাহাজ চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র, বিভিন্ন সংস্থার ছাড়পত্র এবং রুট পারমিট পাওয়ার প্রক্রিয়া শেষ হয়নি। পর্যটকদের নিবন্ধনের জন্য বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের নির্ধারিত ব্যবস্থাও পুরোপুরি চালু হয়নি। সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হলে আগামী বৃহস্পতিবার অথবা শুক্রবার থেকে জাহাজ চলাচল শুরু হতে পারে।
সংশোধিত সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, ১ নভেম্বর থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটকেরা সেন্টমার্টিন ভ্রমণ ও সেখানে রাতযাপন করতে পারবেন। এক বছর পর দ্বীপটি খোলার পরও জাহাজ না চলায় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা হতাশ। দ্বীপে প্রায় ১২ হাজার স্থায়ী বাসিন্দার বড় অংশ হোটেল-রিসোর্ট, রেস্তোরাঁ, ক্ষুদ্র ব্যবসা ও নৌপরিবহনের সঙ্গে যুক্ত। হোটেল-রিসোর্ট খাতে প্রায় ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ স্থায়ী ও অস্থায়ী কর্মী কাজ করেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।