চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম বুধবার আন্দোলনের মুখে সেপ্টেম্বরের বেতন ও উৎসব ভাতা পরিশোধ করেছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১ হাজার ৮৭ শিক্ষক এবং ৫৫০ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন-ভাতা বন্ধ রাখা হয়েছিল। সকালে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সোনালী ব্যাংকের চুয়েট শাখার সামনে জড়ো হয়ে অবস্থান নেন। তারা বেতন-ভাতা পরিশোধ না হলে অবস্থান না ছাড়ার কথা জানালে আলোচনার পর অর্থ পরিশোধ করা হয়।
চুয়েট কর্মচারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রীয়তোষ চক্রবর্তী বলেন, বুধবার দুপুরের মধ্যে সবাই বেতন-ভাতা উত্তোলন করেছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মে বেতন-ভাতা তুলতে উপাচার্যের অনুমোদন প্রয়োজন হয় না; হিসাব নিয়ন্ত্রক ও উপহিসাব নিয়ন্ত্রক এসব অনুমোদন করেন। অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি প্রকৌশলী সৈয়দ মোহাম্মদ ইকরামও বলেন, প্রচলিত নিয়মে তাঁদের স্বাক্ষরেই ব্যাংক থেকে বেতন-বোনাস ছাড় হয়।
উপাচার্য সোনালী ব্যাংকের চুয়েট শাখাকে চিঠি দিয়ে বেতন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিলেন। চুয়েট আইন, ২০০৩-এর ধারা ১৩(৭) উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাঁর সুস্পষ্ট অনুমোদন ছাড়া আর্থিক লেনদেন বেআইনি এবং টাকা ছাড় হলে ব্যাংকও দায়ী হতে পারে। তিনি অবাধ্য কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার কথাও জানান। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উপাচার্যবিরোধী ১৬ দিনের আন্দোলনে সংহতি জানানোর পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।