প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। শুক্রবার রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কূটনীতিকদের সম্মানে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে তিনি বলেন, সমৃদ্ধি আসে সহযোগিতা ও সম্পৃক্ততার মাধ্যমে, বিচ্ছিন্নতার মাধ্যমে নয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, বিদেশি মিশনের প্রতিনিধি, মন্ত্রিসভার সদস্য ও সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী ব্যবসা পরিচালনার পরিবেশ সহজ করা, দায়িত্বশীল বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দুর্নীতিবিরোধী পদক্ষেপকে গণতান্ত্রিক শাসনের ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেন। সরকার কারিগরি শিক্ষা জোরদার, পাঠ্যক্রমে তৃতীয় ভাষা অন্তর্ভুক্ত এবং গ্রামীণ এলাকায় প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নিয়েছে।
বাংলাদেশের অর্থনীতিকে বহুমুখী, প্রযুক্তিনির্ভর ও টেকসই করার লক্ষ্য তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এতে নারীর ক্ষমতায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও উদ্যোক্তা বিকাশ ঘটবে। তিনি ২০২৬–২৭ মেয়াদের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির পদে বাংলাদেশের প্রার্থী ড. খলিলুর রহমানের প্রতি সমর্থনের আহ্বান জানান।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।