দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিয়েহর কাছাকাছি এলাকায় সোমবার রাতে ইসরাইলি বিমান হামলায় একই পরিবারের তিন প্রজন্মের সদস্য নিহত হয়েছেন। হামলায় একটি আবাসিক ভবন ধসে পড়ে। বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্মীরা রাতভর ও পরদিন সকাল পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে লাশ উদ্ধারে কাজ করেন। নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশু ছিল; সবচেয়ে কম বয়সী নিহতটি ছিল দুই মাসের একটি শিশু। হামলার প্রায় দুই ঘণ্টা পর শেষ দুইটি লাশ উদ্ধার করা হয়, যাদের একজন শিশু।
আলজাজিরার প্রতিবেদক জেইনা খোদর জানান, কয়েক সপ্তাহ সহিংসতা তুলনামূলক কম থাকায় পরিবারটি নিজেদের নিরাপদ মনে করেছিল। তবে দক্ষিণ লেবাননে সাম্প্রতিক ইসরাইলি হামলা বাড়ায় সেই নিরাপত্তাবোধ ভেঙে গেছে। দীর্ঘদিন বাস্তুচ্যুত অনেক বাসিন্দার একজন মুস্তাফা বলেন, প্রায় তিন বছর আগে তিনি সীমান্তবর্তী গ্রাম ছেড়ে যেতে বাধ্য হন এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চিত রয়েছেন।
উত্তেজনার কেন্দ্র কৌশলগত আলি আল-তাহের রিজে ইসরাইল ‘অপারেশনাল নিয়ন্ত্রণ’ প্রতিষ্ঠার দাবি করেছে। ইসরাইল বলছে, তাদের অভিযান হিজবুল্লাহর সশস্ত্র তৎপরতার জবাব; লেবাননের কর্মকর্তারা বলছেন, হামলা যুদ্ধবিরতি ও কূটনৈতিক উদ্যোগ দুর্বল করছে। জুনে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া সমঝোতার বাস্তবায়ন থমকে আছে, আর দক্ষিণ লেবাননের মানুষ নতুন করে বাস্তুচ্যুত হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।