দ্য গার্ডিয়ানের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ইরান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধ এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মধ্যে বিশ্বের শীর্ষ আট তালিকাভুক্ত তেল কোম্পানি এপ্রিল থেকে জুনে প্রায় ৯৩ বিলিয়ন ডলার মুনাফা করেছে। একপর্যায়ে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১২৬ ডলারের বেশি ওঠে, যা কোম্পানিগুলোর আয় বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। গত বছরের একই সময়ে তাদের সম্মিলিত মুনাফা ছিল ৫০ বিলিয়ন ডলারের কিছু কম।
তালিকায় রয়েছে আরামকো, বিপি, শেল, ইকুইনর, টোটালএনার্জিস, এনি, শেভরন ও এক্সনমোবিল। আরামকোর নিট আয় ৩৪ শতাংশ বেড়ে ৩৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি হয়েছে। বিপির মুনাফা ছিল ৫.৭৩ বিলিয়ন ডলার, শেলের নিট আয় ৯.৮৪ বিলিয়ন, শেভরনের ১২.২ বিলিয়ন এবং এক্সনমোবিলের ১৪.৫ বিলিয়ন ডলার। আট প্রতিষ্ঠানের বাজারমূল্য প্রায় ৬০০ বিলিয়ন ডলার বেড়ে ৩ ট্রিলিয়ন ডলারের ওপরে উঠেছে।
পরিবেশবাদীরা সরবরাহ অস্থিরতার সুযোগে মুনাফা করার অভিযোগ করে এর অংশ জলবায়ু ক্ষতি মোকাবিলা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগের দাবি জানিয়েছেন। গ্লোবাল উইটনেসের প্যাট্রিক গ্যালি তেল কোম্পানিগুলোকে ন্যায্য কর দেওয়ার আহ্বান জানান। জাতিসংঘের জলবায়ু প্রধান সাইমন স্টিয়েল কয়লা, তেল ও গ্যাসের ব্যবহার দ্রুত কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে যাওয়ার কথা বলেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।