Web Analytics

বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল আমদানিকারক চীন আমদানি বাড়ানো বা কমানোর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক তেলবাজারে বড় প্রভাব ফেলতে সক্ষম হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ১৬ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, এ কারণে তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর জোট ওপেক ও তার মিত্রদের দীর্ঘদিনের বাজার আধিপত্যের সামনে বেইজিং নতুন প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উঠে এসেছে। ইরান যুদ্ধ ও হরমুজ প্রণালির সংকটে সরবরাহ ধাক্কার সময় চীনের আমদানি কমানো দামের চাপ সীমিত রাখতে ভূমিকা রেখেছে।

ফেব্রুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে চীন অপরিশোধিত তেল আমদানি প্রায় অর্ধেকে নামিয়ে দৈনিক প্রায় ৫৫ লাখ ব্যারেলে আনে। বিশ্লেষকদের ধারণা, এই সিদ্ধান্ত না থাকলে ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম আরও প্রায় ৩০ ডলার বাড়তে পারত। ২০২৫ সালের শেষ ভাগ থেকে ২০২৬ সালের শুরুতে কম দামের সময়ে বিপুল তেল মজুত করায় সংকটকালে দেশটিকে নতুন করে আগের মতো তেল কিনতে হয়নি।

চীনের বিদ্যুতায়ন, বৈদ্যুতিক গাড়ি, গণপরিবহন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার তেলের চাহিদা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ওপেকের প্রভাব এখনও গুরুত্বপূর্ণ হলেও জোটের অভ্যন্তরীণ পরিবর্তন ও সদস্যদের স্বার্থের দ্বন্দ্ব সিদ্ধান্তকে জটিল করছে। সরবরাহ সংকট, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, দুর্বল চাহিদার আশঙ্কা, যুক্তরাষ্ট্রের তেল মজুত বৃদ্ধি এবং চীনের আমদানি পরিবর্তন এখন দামের ওপর প্রভাব ফেলছে।

Card image

Related Rumors

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।