যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনার নতুন উদ্যোগ বাস্তবায়নের প্রস্তুতি চলছে এবং মধ্যস্থতাকারীরা ইরানের রাজধানী তেহরানে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ৩ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থানে বড় পরিবর্তনের পর এই সমঝোতার পথ তৈরি হয়েছে। তিনি আগে ইরানের অবকাঠামোয় সর্বাত্মক সামরিক হামলার হুমকি দিলেও পরে বলেছেন, দুই পক্ষ একটি চুক্তির খুব কাছাকাছি।
ট্রাম্পের ঘোষণার পর আঞ্চলিক কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার হয়। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি পাকিস্তানের সেনাপ্রধান, সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও ইরাকের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক ও ফোনালাপ করেছেন। আল-জাজিরার প্রতিনিধি ওসামা বিন জাভেদের মতে, সাম্প্রতিক ইরান-ওমান আলোচনার ভিত্তিতে তেহরানে নতুন একটি পরোক্ষ বৈঠক হতে যাচ্ছে।
তবে চূড়ান্ত চুক্তির শর্ত নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে এখনও উল্লেখযোগ্য মতপার্থক্য রয়েছে এবং মূল ইস্যুগুলোতে উভয় পক্ষ বিপরীত অবস্থানে আছে। আরাগচি ও ইরান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই আলোচনা প্রক্রিয়ায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির কথা জানিয়ে চুক্তির বিষয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন। প্রস্তাবিত চুক্তির রূপরেখা, শর্ত বা সম্ভাব্য ছাড়ের বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।