যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে, যা ‘প্রতিরোধমূলক’ পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণিত হয়েছিল। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসের লক্ষ্য থাকলেও তা পূরণ হয়নি। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানে জনঅভ্যুত্থান ঘটানোর আশা করেছিলেন, কিন্তু ট্রাম্প পরে স্বীকার করেন এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই সপ্তাহের অস্ত্রবিরতি ও শান্তি আলোচনা শুরু হলেও ইসলামাবাদে ২১ ঘণ্টার আলোচনার পর কোনো সমঝোতা হয়নি।
আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় নতুন করে যুদ্ধের আশঙ্কা বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র সামরিকভাবে শক্তিশালী থাকলেও ইরান হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে কৌশলগত সুবিধা অর্জন করেছে, যা বৈশ্বিক তেলবাজার ও শেয়ারবাজারে প্রভাব ফেলছে। প্রতিবেদনে ভিয়েতনাম, আফগানিস্তান ও ইরাকের মতো অতীত ব্যর্থতার পুনরাবৃত্তির ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
দেশে জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধি ও মুদ্রাস্ফীতির কারণে সামাজিক অসন্তোষ বাড়ছে। ট্রাম্প এখন কঠিন সিদ্ধান্তের মুখে—ইরানের শর্ত মেনে যুদ্ধ শেষ করা বা সংঘাত আরও বাড়িয়ে তোলা।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।