Web Analytics

ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের স্থল ও আকাশপথের সমন্বিত হামলায় ক্রমবর্ধমান চাপে পড়েছে সৌদি আরব। ইয়েমেনে সৌদি-সমর্থিত বাহিনী হুথিদের অগ্রযাত্রা ঠেকানোর চেষ্টা করছে, আর সৌদি ভূখণ্ডে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা মোকাবিলা করতে হচ্ছে রিয়াদকে। দেশটির বিমান প্রতিরক্ষায় ব্যবহৃত মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধকও সীমিত হয়ে আসছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে সৌদি নিরাপত্তার প্রধান ভরসা যুক্তরাষ্ট্র এখন অনেকটাই নিষ্ক্রিয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সপ্তাহান্তে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, হুথিরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে এবং তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে লড়াই করতে চায় না। রয়টার্সের বুধবারের প্রতিবেদনে ওমানের মধ্যস্থতায় মার্কিন কর্মকর্তা ও হুথি প্রতিনিধিদের বৈঠকের কথা জানানো হয়। মক্কা চুক্তির অংশীদার তুরস্ক ও পাকিস্তানেরও দৃশ্যমান তৎপরতা নেই।

ইরানঘনিষ্ঠ ইরাকি মিলিশিয়ার ড্রোন হামলায় সৌদির ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা তেল রপ্তানি ও ভিশন ২০৩০ পরিকল্পনা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। হুথিরা বাব আল-মান্দেব নিয়ন্ত্রণে নিয়ে তাইজ ও মারিবের দিকে এগোচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, রিয়াদ সীমিত বিমান হামলা, সামরিক চাপ ও কূটনৈতিক সমঝোতার পথ একসঙ্গে বিবেচনা করতে পারে।

Card image

Related Rumors

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।