এক বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, উন্নত নজরদারি প্রযুক্তি, স্পাইওয়্যার ও নির্বাচনি প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে ইসরাইল বিভিন্ন দেশের স্বৈরতান্ত্রিক প্রবণতার সরকার ও রাজনৈতিক শক্তির গুরুত্বপূর্ণ মিত্রে পরিণত হয়েছে। ৩ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে রাষ্ট্রীয় কূটনীতি, সাইবার প্রযুক্তি এবং বেসরকারি নজরদারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরাইলের কৌশলগত প্রভাব বৃদ্ধির কথা বলা হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এনএসও গ্রুপের পেগাসাস সফটওয়্যার বিভিন্ন দেশের সরকার ব্যবহার করেছে এবং সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী, বিরোধী রাজনীতিক ও মিত্র দেশের ব্যক্তিদের ওপর নজরদারির অভিযোগ উঠেছে। অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এনএসওর সহ-প্রতিষ্ঠাতা শালেভ হুলিওর পানামা সফর ও দেশটিতে পেগাসাস বিক্রির চুক্তিতে তাঁর ভূমিকার দাবিও করা হয়েছে। বিশ্লেষকদের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব প্রতিষ্ঠান ইসরাইলি রাষ্ট্রের কৌশলগত স্বার্থেও ভূমিকা রাখতে পারে।
স্কটল্যান্ড, ফ্রান্স, কলম্বিয়া ও হন্ডুরাসে বিভ্রান্তিকর তথ্য, বট নেটওয়ার্ক ও জনমত প্রভাবিত করার কর্মকাণ্ডে ইসরাইলি প্রতিষ্ঠানের জড়িত থাকার অভিযোগও প্রতিবেদনে রয়েছে। লাতিন আমেরিকায় রাজনৈতিক সক্রিয়তা এবং ব্রাজিলের আসন্ন নির্বাচনে অনলাইন প্রচারণা ও সাইবার কৌশল ব্যবহারের আশঙ্কার কথা বলা হয়েছে। তবে ইসরাইল সরকার বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া উল্লেখ করা হয়নি।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।