Web Analytics

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৬ থেকে ২০ জুলাইয়ের ঘটনাপ্রবাহ ক্যাম্পাসের রাজনৈতিক বাস্তবতা বদলে দেয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ১৬ জুলাই শিক্ষার্থীরা মিছিল করে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন এবং ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার পর সংগঠনটির নেতারা পিছু হটেন। ছাত্রীদের হলের সামনে প্রায় দেড় হাজার ছাত্রী মিছিলে যোগ দেন। আন্দোলনকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, পরবর্তী জাতীয় গণঅভ্যুত্থানের ভিত্তি তৈরিতেও এই দিনগুলো গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

১৭ জুলাই শিক্ষার্থীরা প্রশাসন ভবন ঘেরাও করেন। ১৮ জুলাই শিক্ষা কার্যক্রম কার্যত বন্ধ হয়ে যায় এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে পাঁচ দফা দাবি ঘোষণা করা হয়। দাবি পূরণ না হওয়া ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভূমিকার প্রতিবাদে উপাচার্যসহ প্রশাসনের প্রতীকী জানাজা আদায় করা হয়। ওই বিকেলে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন।

১৯ জুলাই কারফিউ ও সেনা মোতায়েনের পর ক্যাম্পাসে নজরদারি বাড়ে এবং প্রকাশ্য কর্মসূচি সীমিত হয়ে পড়ে। সাবেক সমন্বয়কদের ভাষ্য, অভিযান, গোয়েন্দা নজরদারি ও গ্রেপ্তারের আশঙ্কায় সংগঠন ও সমন্বয় ধরে রাখতে সতর্কতা প্রয়োজন ছিল। আন্দোলনসংশ্লিষ্টরা বলেন, হল খালি করার নির্দেশের পরও অনেকে মেসে থেকে নতুনভাবে সংগঠিত হন; রাবি ও রাজশাহী কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আইনি সহায়তা, নিরাপত্তা ও পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ নিয়েও সমন্বয় গড়ে ওঠে।

Card image

Related Rumors

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।