কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর সংযোগ সড়ক প্রকল্পে বালু উত্তোলনের অনুমোদনের আগে ও পরে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ‘টোকিও-এমআইএল-জেভি’ নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ১৩টি শর্তে বালু তোলার অনুমতি দেওয়া হলেও তারা কোনো শর্তই মানছে না বলে অভিযোগ রয়েছে। ১৮ ইঞ্চি কাটার ড্রেজারের পরিবর্তে ১২ ইঞ্চি সাকশন ড্রেজার ব্যবহার করে সমুদ্রে পরিবেশগত ক্ষতি করা হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি পরিবেশ ছাড়পত্র ও ইআইএ ছাড়াই বালু তুলছে। স্থানীয় অংশীদার ম্যাক্স ইন্টারন্যাশনালের কর্মকর্তারা অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, সব শর্ত মেনেই কাজ চলছে।
জেলা প্রশাসনের অনুমোদনপত্র অনুযায়ী, কোনো দরপত্র ছাড়াই প্রতি ঘনফুট বালুর দাম ছয় টাকা ৯৪ পয়সা নির্ধারণ করা হয় এবং ড্রেজিং খরচ বাবদ চার টাকা ৫৬ পয়সা সরকারি কোষাগার থেকে পরিশোধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এতে সরকারের রাজস্ব ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, উচ্চ দর প্রস্তাব দেওয়া অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকে উপেক্ষা করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান জানিয়েছেন, ভূমি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডকে শর্ত ভঙ্গের বিষয়টি যাচাই করতে বলা হয়েছে।
পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, কোনো প্রতিষ্ঠানই ছাড়পত্রের আবেদন করেনি এবং অনুমোদন ছাড়া বালু তোলা হলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।