ইরান যুদ্ধের প্রভাবে সৃষ্ট জ্বালানি সংকটের মধ্যেই ঈদুল ফিতর সামনে রেখে গণপরিবহনে তেল নেওয়ার সীমা তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। সড়ক, রেল ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম শনিবার জানান, রাত থেকেই দূরপাল্লার বাসসহ সব গণপরিবহন প্রয়োজন অনুযায়ী তেল নিতে পারবে। ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে আগের মতোই ছুটি বাড়ানো হয়েছে এবং ঈদের আগের সাতদিন ও পরের পাঁচদিন মহাসড়কের তেলের পাম্প ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তবে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, দেড় কোটির বেশি মানুষ ঢাকা ছাড়লে গণপরিবহনে অতিরিক্ত চাপ ও জ্বালানি সংকট দেখা দিতে পারে। যাত্রী কল্যাণ সমিতি অভিযোগ করেছে, বিভিন্ন রুটে দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ পর্যন্ত বাড়তি ভাড়া আদায় চলছে এবং মন্ত্রীর পরিদর্শন কার্যকর নয়। পরিবহন মালিক সমিতি বলছে, ভাড়া বাড়ানো অবৈধ এবং কেউ করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নৌপথে যাত্রী চাপ সামলাতে বছিলা ও শিমুলিয়া ট্যুরিস্ট ঘাট থেকে বিশেষ লঞ্চ সার্ভিস চালু করা হয়েছে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌচলাচল সংস্থা পর্যাপ্ত ডিজেল সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে, যাতে ঈদের সময় নৌযাত্রা ব্যাহত না হয়।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।