Web Analytics

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়াচ্ছে এবং তেল আয় কমাতে নৌ অবরোধ আরোপ করেছে। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, এই কৌশল তেহরানকে নতি স্বীকারে বাধ্য করার বদলে আরও কঠোর সামরিক পদক্ষেপে ঠেলে দিতে পারে। সোমবার মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট ব্যাসেন্ট নতুন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা ঘোষণা করেন, তবে চাপ প্রয়োগের পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানাননি। ইরানি কর্মকর্তারা এ চাপকে যুদ্ধের নতুন ধাপ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

ইরানের তেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, নৌ অবরোধে তেল রপ্তানি প্রায় শূন্যের কাছাকাছি নেমেছে। দোনিয়া-ই-এঘতেসাদের তথ্য অনুযায়ী, গত ডিসেম্বর থেকে রিয়ালের দর ৪১ শতাংশ কমেছে। মূল্যস্ফীতি ও বেকারত্ব বেড়েছে, কিছু ওষুধের দাম ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। অবকাঠামোর ক্ষতি ও আমদানি ব্যাহত হওয়ায় জ্বালানি সংকটও তীব্র হয়েছে; ভিডিওতে খালি পেট্রলপাম্প ও দীর্ঘ গাড়ির সারি দেখা গেছে।

নতুন মার্কিন উদ্যোগের কার্যকারিতা তুরস্ক, ইরাক, রাশিয়া ও চীনের সহযোগিতা পাওয়ার ওপর নির্ভর করবে। ব্যাসেন্টের ভাষ্য অনুযায়ী, স্বর্ণ, ডিজিটাল সম্পদ, প্রযুক্তি, বিমান চলাচল ও জাহাজ পরিবহন খাত লক্ষ্যবস্তু। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিষেধাজ্ঞার সবচেয়ে বড় বোঝা সাধারণ ইরানিদের বহন করতে হতে পারে, আর ক্ষমতাসীনদের ঘনিষ্ঠরা ছায়া অর্থনীতি থেকে লাভবান হতে পারেন।

Card image

Related Rumors

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।