ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড (ইবিএল) চেয়ারম্যান মো. শওকত আলী চৌধুরীর বিরুদ্ধে ২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পাচারের অভিযোগে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ এইচ এম রেজওয়ানুল সাঈদ রেজিস্টার্ড ডাকযোগে এই নোটিশ পাঠান। এতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, এনবিআর চেয়ারম্যান ও বিএফআইইউ প্রধানসহ আটজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে উদ্দেশ্য করে প্রশ্ন তোলা হয়েছে কেন সন্দেহজনক লেনদেনের পরও যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি এবং সাত দিনের মধ্যে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।
নোটিশে বলা হয়, যুক্তরাজ্যের কর্তৃপক্ষ সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর সম্পদ তদন্তের সময় শওকত আলীর নামে ২৫ মিলিয়ন ডলার শনাক্ত করে, যা পরে বিএফআইইউর নিষ্ক্রিয়তার কারণে দুবাইয়ে স্থানান্তরিত হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়, শওকত আলী ২০২৫–২৬ করবর্ষে বিপুল পরিমাণ কর পরিশোধ দেখিয়ে ওই অর্থ বৈধ করার চেষ্টা করেছেন, যা মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ অনুযায়ী বৈধ নয়।
নোটিশে দুর্নীতি দমন কমিশন ও সিআইডিকে সংশ্লিষ্ট তথ্য সরবরাহ এবং ব্যাংক কোম্পানি আইনের আলোকে শওকত আলীর চেয়ারম্যান পদে থাকা যৌক্তিক কি না তা পুনর্মূল্যায়নের আহ্বান জানানো হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।