ইরানে গত মাসের প্রাণঘাতী দমন-পীড়নের পর শনিবার রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা বড় পরিসরে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেয়। শরিফ ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির শত শত শিক্ষার্থী জাতীয় পতাকা হাতে শান্তিপূর্ণ মিছিল করে এবং ‘স্বৈরাচারের মৃত্যু হোক’সহ নানা স্লোগান দেয়। একই সময়ে কাছাকাছি এলাকায় সরকারপন্থিদের সমাবেশে দুই পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটে। শাহিদ বেহেশতি ও আমিরকাবির বিশ্ববিদ্যালয়েও অনুরূপ কর্মসূচি পালিত হয়। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মাশহাদ শহরে শিক্ষার্থীরা স্বাধীনতা ও অধিকার আদায়ের দাবিতে স্লোগান দেয়।
গত মাসে অর্থনৈতিক সংকট ঘিরে শুরু হওয়া আন্দোলন দ্রুত সরকারবিরোধী গণবিক্ষোভে রূপ নেয়, যা ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর সবচেয়ে বড় বলে মনে করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস নিউজ এজেন্সি (হরানা) দাবি করেছে, ওই দফার বিক্ষোভে অন্তত ৬ হাজার ১৫৯ জন নিহত হয়েছেন। ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি, নিহতের সংখ্যা ৩ হাজার ১০০ জনের বেশি।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনায় কিছু অগ্রগতি হয়েছে, তবে আগামী ১০ দিনের মধ্যেই বোঝা যাবে চুক্তি হবে কি না, নাকি সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।