Web Analytics

যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত তেলের মজুত ১৯৮৩ সালের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। দেশটির জ্বালানি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ৩ জুলাই শেষ হওয়া সপ্তাহে এই মজুত ৬২ লাখ ব্যারেল কমে ৩১৯ দশমিক ৫ মিলিয়ন ব্যারেলে দাঁড়িয়েছে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে তৈরি হওয়া উত্তেজনার কারণে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ও দামের স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বীকার করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যখনই ইরানে আঘাত হানে, তখনই তেলের দাম বেড়ে যায়। গত বুধবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৫ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৭৮ দশমিক ০২ ডলারে পৌঁছায়।

রিগান প্রশাসনের পর এটিই যুক্তরাষ্ট্রের সর্বনিম্ন তেলের মজুত। এই রিজার্ভের ধারণক্ষমতা ৭১৩ দশমিক ৫ মিলিয়ন ব্যারেল। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ চলাকালে বৈশ্বিক তেল সংকট এড়াতে যুক্তরাষ্ট্র এই রিজার্ভ থেকে তেল ছাড়ছিল। তবে পর্যাপ্ত মজুত রাখা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি আর্থিক বাজারে স্থিতিশীলতার বার্তা দেয়।

বিশ্লেষকদের মতে, মজুতের এই পতন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের যুদ্ধসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত ও বিকল্পগুলোকে সীমিত করে দিতে পারে।

Card image

Related Rumors

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।