দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় পর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন জাতীয় বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে সরকার। ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে এ বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত জানানো হলেও বাস্তবায়নের পূর্ণাঙ্গ কৌশল এখনো নির্ধারিত হয়নি। আগামী ১ জুলাই থেকে কার্যকর করার কথা থাকলেও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে রয়েছে প্রত্যাশা ও উৎকণ্ঠা। মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে সচিব কমিটির বৈঠকে জাতীয় বেতন কমিশনসহ বিভিন্ন প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হলেও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। আগামী ২৪ জুন আরেকটি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
সরকারি সূত্র জানায়, প্রশাসনিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে সময় লাগবে বলে বর্ধিত বেতন হাতে পেতে সেপ্টেম্বর বা অক্টোবর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে। নতুন পে স্কেল একধাপে না ধাপে বাস্তবায়ন হবে, তা নিয়েও আলোচনা চলছে। প্রাথমিকভাবে প্রথম বছরে ৫০ শতাংশ কার্যকর করার চিন্তা রয়েছে। কর্মচারী সংগঠনগুলো পূর্ণ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে বলছে, ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করলে প্রকৃত সুফল পাওয়া কঠিন হবে।
নতুন বাজেটে বেতন-ভাতার জন্য ৮৯ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যার বড় অংশ নবম পে স্কেল বাস্তবায়নে ব্যয় হতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো কর্মচারীদের প্রত্যাশা ও আর্থিক সক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।