বগুড়াসহ দেশের উত্তরাঞ্চলে অ্যাপভিত্তিক অনলাইন জুয়া ছড়িয়ে পড়েছে; বগুড়া এ কার্যক্রমের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে উঠে এসেছে। শিবগঞ্জ, শেরপুর, গাবতলী ও ধুনটে এর প্রভাব বেশি বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে। শিক্ষার্থী, রিকশাচালক ও ব্যবসায়ীরাও এতে আসক্ত হচ্ছেন। স্থানীয় পর্যায়ে কারিগরি সহায়তার ঘাটতিতে জুয়ার চক্র শনাক্ত ও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পুলিশকে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।
বগুড়া ডিবির ওসি ইকবাল বাহার জানান, মোবাইল ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে ডিজিটাল জুয়ায় প্রতিদিন গড়ে এক থেকে দুই কোটি টাকা লেনদেন হয়। সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টারের অনুসন্ধানে বগুড়াকেন্দ্রিক চক্রগুলো প্রতিদিন গড়ে এক কোটি ৮০ লাখ থেকে দুই কোটি টাকা অবৈধভাবে দেশ থেকে পাচার করে বলে উঠে এসেছে; মাসে যার পরিমাণ প্রায় ৫০ থেকে ৬০ কোটি টাকা। অসংখ্য হিসাব, নম্বর ও প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারে অর্থের উৎস ও গন্তব্য শনাক্ত কঠিন হচ্ছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মে মাসে শাজাহানপুরে কথিত এজেন্ট খাদিজা এবং জুনে গাবতলীতে কথিত মাস্টার এজেন্ট সুষেন চন্দ্র রায়কে গ্রেপ্তার করে। এদিকে অনলাইন ও অফলাইন জুয়ার বিস্তার মোকাবিলায় সরকার জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬-এর খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।