স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণ সামনে রেখে বাংলাদেশ বাণিজ্য সক্ষমতা বাড়ানো, বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়ন এবং দেশি শিল্পকে সুরক্ষায় পাঁচ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা প্রস্তুত করছে। চলতি বছরের ২৪ নভেম্বর বাংলাদেশের উত্তরণের নির্ধারিত তারিখ। শুল্ক-সুবিধা সংকুচিত হওয়ার সম্ভাবনায় আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পরিকল্পনায় রপ্তানি সক্ষমতা, বাণিজ্য সহজকরণ, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা, প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারসহ ১২টি অগ্রাধিকারমূলক কার্যক্রম রয়েছে।
প্রস্তুতির সময় বাড়াতে বাংলাদেশ ১৮ ফেব্রুয়ারি জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসির কাছে আবেদন করে। কমিটি কাঠামোগত দুর্বলতা মোকাবিলায় অভ্যন্তরীণ সংস্কারে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির শর্তে সময় বাড়ানো উপযুক্ত হতে পারে বলে মত দিয়েছে। ২১ জুলাই জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ কমিটির সিদ্ধান্ত নোট করে এবং ২৪ নভেম্বরের আগে সাধারণ পরিষদকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করে।
বিএফটিআইয়ের বিটিটিসির জন্য তৈরি প্রতিবেদনে অ্যান্টি ডাম্পিং, কাউন্টারভেইলিং ও সেফগার্ড ব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে জাতীয় বাণিজ্য প্রতিরক্ষা কাউন্সিল, বিশেষায়িত সেল, ডিজিটাল তথ্য বিনিময় ব্যবস্থা ও দক্ষ জনবল গঠনের সুপারিশ রয়েছে। অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী নেতারা জ্বালানি নিরাপত্তা, ব্যাংকিং সংস্কার, নীতিগত ধারাবাহিকতা, দক্ষ মানবসম্পদ এবং রপ্তানি ও বাজার বহুমুখীকরণের ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।