ভয়াবহ বন্যার পর অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানে বিদেশি সহায়তার প্রয়োজন নেই বলে শুক্রবার জানিয়েছে নেপালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। কয়েকটি দেশের নাগরিক নিখোঁজ থাকায় সেসব দেশ সহায়তার প্রস্তাব দিলেও কাঠমাণ্ডু ইতোমধ্যে আটটি দেশের প্রস্তাব খারিজ করেছে। তবে বিদেশ থেকে আর্থিক সহায়তা চায় নেপাল সরকার এবং উদ্ধারকাজে দেশীয় দল ও প্রশাসনের ওপর আস্থা রাখছে।
চীনা সীমান্তঘেঁষা রাসুয়া জেলাসহ কয়েকটি এলাকায় আকস্মিক বন্যায় পুরো জনপদ ভেসে গেছে। বিভিন্ন জলবিদ্যুৎ প্রকল্পও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ দুর্যোগে নিহতের সংখ্যা প্রায় ৫০০-তে পৌঁছেছে এবং শত শত বিদেশি নাগরিক এখনো নিখোঁজ রয়েছেন বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
জাতিসংঘে নেপালের সাবেক রাষ্ট্রদূত দীনেশ ভট্টরাই বলেছেন, তিব্বত সীমান্তবর্তী রাসুয়ার ভৌগোলিক সংবেদনশীলতা বিদেশি উদ্ধারকারী দল না নেওয়ার সিদ্ধান্তে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে মুখপাত্র লোক বাহাদুর ছেত্রী এ সম্পর্ক অস্বীকার করে বলেন, নেপালের নিজস্ব দলই অভিযান চালাচ্ছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিক মন্তব্য করেনি; চীনা রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বলেছে, শি জিনপিং নেপালের প্রেসিডেন্টকে শোকবার্তা পাঠিয়েছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।