বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সুন্দরবনে পুনরায় মাথাচাড়া দিয়ে ওঠা দস্যু তৎপরতা দমনে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে। মঙ্গলবার ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে বাংলাদেশ নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড, র্যাব ও পুলিশের সমন্বয়ে যৌথ সাঁড়াশি অভিযান শুরু হয়, যা দস্যুমুক্ত ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত চলবে। সম্প্রতি অভিযোগ উঠেছে, অস্ত্রধারী দস্যুরা নদী ও খালে মাছ ধরতে যাওয়া জেলেদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায় করছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, দুবলার চর, শিবসা, পশুর, আড়পাঙ্গাশিয়া ও চাঁদপাই রেঞ্জসংলগ্ন নদীপথে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। দ্রুতগামী টহল নৌযান, স্পিডবোট ও কমান্ডো টিম মোতায়েন করা হয়েছে। নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, সন্দেহভাজন নৌযান তল্লাশি ও গোপন আস্তানা চিহ্নিত করে অভিযান চালানো হবে। র্যাব ও পুলিশ দস্যুদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, অতীতে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে সুন্দরবন দস্যুমুক্ত ঘোষণা করা হলেও সম্প্রতি কিছু চক্র পুনরায় সক্রিয় হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, টেকসইভাবে দস্যুমুক্ত রাখতে হলে নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি এবং বননির্ভর মানুষের বিকল্প কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা জরুরি।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।