Web Analytics

বালু লুট ঠেকাতে সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশ ধোপাজান চলতি নদীতে সিসি ক্যামেরা দিয়ে নজরদারি শুরু করেছে। সদর থানার ওসি রতন শেখের মোবাইল ফোনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ক্যামেরাটি পুলিশ চৌকিতে বসানো হয়েছে। এর মাধ্যমে তিনি অফিসে বসে রাতেও ড্রেজার চালানো বা নৌকায় বালু তোলার ঘটনা পর্যবেক্ষণ করতে পারেন। ক্যামেরায় ধরা পড়লে তাৎক্ষণিক অভিযান চালানো হয় বলে জানানো হয়েছে।

সদর ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলাজুড়ে বিস্তৃত ধোপাজান চলতি নদী দেশের অন্যতম বড় বালু-পাথর মহাল। আট বছর ধরে ইজারাবিহীন থাকায় সেখানে অবাধে বালু তোলার অভিযোগ রয়েছে। ড্রেজার দিয়ে দিন-রাত বালু উত্তোলনের ফলে বহু বসতভিটা, স্কুল, মসজিদ ও ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পরিবেশ ও স্থানীয়দের জীবন-জীবিকা রক্ষায় ২০১৮ সালে বালু উত্তোলন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।

পুলিশ সুপার এবিএম জাকির হোসেন বলেন, সুনামগঞ্জে বালু লুটের ঘটনায় ৬৬টি মামলায় ৭৪১ জনকে আসামি করা হয়েছে এবং ৬০ জনকে হাতেনাতে ধরা হয়েছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, আসামিরা আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে বেরিয়ে গেছে। নদীতে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে সিসি ক্যামেরার পাশাপাশি টাস্কফোর্স গঠন করে অভিযান পরিচালনার প্রয়োজন বলে তিনি জানান।

Card image

Related Rumors

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।