২০২৬ সালের বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে কানসাস সিটিতে আলজেরিয়াকে ৩–০ গোলে হারিয়ে আর্জেন্টিনাকে জয় এনে দেন লিওনেল মেসি। তিনটি গোলই আসে তার পা থেকে, যা তার ক্যারিয়ারের প্রথম বিশ্বকাপ হ্যাটট্রিক। এই ম্যাচে তিনি বিশ্বকাপে মোট ১৬ গোলের রেকর্ডে সমতা আনেন, আর্জেন্টিনার জার্সিতে ২০০তম ম্যাচ খেলেন এবং ষষ্ঠ বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার অনন্য কীর্তি গড়েন। ৩৮ বছর বয়সে এমন পারফরম্যান্সে মেসি আবারও প্রমাণ করলেন, তিনি এখনো বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষে।
প্রতিবেদনটি জানায়, মেসির এই অর্জন যেন পেলে ও ম্যারাডোনাকে ঘিরে দীর্ঘদিনের ‘সর্বকালের সেরা’ বিতর্কের সমাপ্তি টেনেছে। কৈশোরের ড্রিবলার থেকে বহুমুখী প্লেমেকার ও গোলদাতা হিসেবে তার বিবর্তন, ধারাবাহিকতা, নেতৃত্ব ও নান্দনিকতা তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। লেখাটি পেলের তিনটি বিশ্বকাপ জয় ও ম্যারাডোনার ১৯৮৬ সালের একক নৈপুণ্যের সঙ্গে তুলনা করে বলেছে, মেসি ব্যক্তিগত প্রতিভা, দলীয় সাফল্য ও সৌন্দর্যের এক অনন্য সমন্বয়।
শেষাংশে বলা হয়েছে, মেসির গল্প এখনো শেষ নয়; তিনি এবার বিশ্বকাপ জিততে নয়, বরং আগের শিরোপা ধরে রাখতে এসেছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।