বান্দরবান সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে প্রাণহানির ঘটনা ক্রমেই বাড়ছে, এতে সীমান্ত এলাকার মানুষ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। সর্বশেষ মঙ্গলবার নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ইউনিয়নের রেজু আমতলী বিজিবি ক্যাম্পের পাশে সীমান্ত পিলার ৪০-এর কাছে এক রোহিঙ্গা শ্রমিক আবদুল খালেক মাটিতে পোঁতা মাইনে পা দিয়ে নিহত হন। ঘটনাস্থল কক্সবাজারের ৩৪ বিজিবির আওতাধীন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সীমান্ত এলাকায় বারবার এমন দুর্ঘটনা ঘটায় তারা এখন চরম ভয়ের মধ্যে রয়েছেন।
মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যে সরকারি বাহিনী ও রোহিঙ্গা বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর সংঘর্ষ চলমান, যেখানে আরাকান আর্মি এলাকাটির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এই সংঘর্ষের মধ্যেই সীমান্তের জিরো পয়েন্টে মাইন পোঁতা হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তে মাইন বসানো থাকায় তারা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন, অথচ বাংলাদেশ সীমান্ত প্রশাসন এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি।
সীমান্তের প্রবীণ বাসিন্দারা জানান, একসময় বনাঞ্চলে ভরা এই এলাকা এখন বৃক্ষশূন্য ও কাঁটাতারে ঘেরা, ফলে ওপারে যাওয়ার সব পথ বন্ধ হয়ে গেছে। টেকসই সমাধান না হলে ভবিষ্যতে প্রাণহানি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।