Web Analytics

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার পতনের পর বাংলাদেশ তার ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। বৃহস্পতিবারের ভোটে প্রায় ১২ কোটি ৭০ লাখ ভোটার অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। দেশজুড়ে ১ লাখ ৫৭ হাজারের বেশি পুলিশ, ১ লাখ সেনা এবং হাজারো নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি এগিয়ে রয়েছে, যার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট এবং নবগঠিত ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি। একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী পদে মেয়াদসীমা ও নির্বাহী ক্ষমতার ওপর নিয়ন্ত্রণসহ রাজনৈতিক সংস্কার বিষয়ে গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে।

নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মুহাম্মদ সানাউল্লাহ জানান, ৯০ শতাংশের বেশি আসনে নিরাপত্তা ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। পুলিশ প্রধান বাহারুল আলম বলেন, ৪২ হাজার ভোটকেন্দ্রের অর্ধেকেরও বেশি সহিংসতার ঝুঁকিতে রয়েছে। মানবাধিকার সংগঠন ও ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ রাজনৈতিক সহিংসতা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনের প্রধান নোবেলজয়ী মুহাম্মদ ইউনুস তিন দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করে নাগরিকদের ভোট দিতে আহ্বান জানিয়েছেন।

ভোটের প্রতি জনসাধারণের আগ্রহ তীব্র, বিশেষ করে প্রথমবারের ভোটারদের মধ্যে। পরিবহন সংকট সত্ত্বেও অনেকেই নিজ নিজ এলাকায় ফিরছেন। ইউনুস প্রশাসন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

Card image

Related Rumors

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।