বাংলাদেশের মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসগুলোকে ২০২৬ সালের ৩০ এপ্রিলের মধ্যে নতুন মার্জিন বিধিমালা অনুযায়ী ঋণ সমন্বয় করতে হবে। তবে চলমান শেয়ারবাজারের মন্দা এবং ইরানের যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ওপর হামলার পর বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে বাজারে নতুন চাপ তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এখন ঋণ সমন্বয় করতে গেলে বড় ধরনের বিক্রির চাপ সৃষ্টি হয়ে বাজারের সংকট আরও গভীর হতে পারে।
এ অবস্থায় ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন (ডিবিএ) বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের কাছে তিন মাস সময় বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছে। ডিবিএ সভাপতি সাইফুল ইসলামের স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, বর্তমান মন্দা পরিস্থিতিতে ঋণ সমন্বয় করলে লেনদেনে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
২০২৫ সালের ১ নভেম্বর থেকে কার্যকর হওয়া নতুন মার্জিন বিধিমালায় বিনিয়োগের পরিমাণ, কোম্পানির ধরন ও মূলধন পর্যাপ্ততার ওপর কঠোর শর্ত আরোপ করা হয়েছে। বাজার সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, বাধ্যতামূলক সমন্বয় কার্যকর হলে বাজারের দুরবস্থা আরও বাড়তে পারে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।