কিশোর গ্যাং সন্দেহে কুমিল্লা জেলার ১৮টি থানা এলাকায় একযোগে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৬২৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এ অভিযান চলে। কুমিল্লা নগরীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টসহ প্রতিটি থানার বখাটে অধ্যুষিত ও চিহ্নিত স্থানে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে তদারকি করেন।
পুলিশের ভাষ্য, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে উঠতি বয়সের কিশোরদের সম্পৃক্ততা বাড়ায় সামাজিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের নির্দেশে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে কোতোয়ালি ও সদর দক্ষিণ থানা এলাকা থেকে সবচেয়ে বেশি কিশোরকে আটক করা হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. লুৎফর রহমান আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আটক ব্যক্তিদের পূর্বের অপরাধে সম্পৃক্ততা যাচাই শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। রাত ৯টার দিকে দাউদকান্দি থানায় স্বজনদের হট্টগোল ও ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে; স্থানীয় সূত্রের দাবি, কয়েকজন পালিয়ে যায়। ১৯ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীম নিহত হওয়ার পর জনদাবির প্রেক্ষাপটে অভিযান শুরু হয়।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।