সাবেক জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী নেতা উমর খালিদ ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরের গ্রেপ্তারের পর প্রায় ছয় বছর ধরে দিল্লির তিহার কারাগারে বন্দি আছেন। ২০২০ সালের দিল্লি দাঙ্গা-সংক্রান্ত ‘বৃহত্তর ষড়যন্ত্র’ মামলায় ইউএপিএসহ বিভিন্ন ধারায় তিনি অভিযুক্ত। এখনো কোনো অপরাধে তিনি দোষী সাব্যস্ত হননি এবং মূল মামলার বিচারপ্রক্রিয়াও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।
দিল্লি পুলিশের অভিযোগ, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনবিরোধী আন্দোলনের সময়ে খালিদ ও অন্যরা পরিকল্পিতভাবে সহিংসতা উসকে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করেছিলেন। তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভারত সফরের সময় সহিংসতা ছড়ানোর পরিকল্পনায় তার ভূমিকা ছিল বলেও পুলিশের দাবি। খালিদ এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, দাঙ্গা বা অন্য অভিযুক্তদের সঙ্গে কোনো ষড়যন্ত্রে তিনি যুক্ত ছিলেন না। তার সমর্থকেরা মামলার কিছু প্রমাণ ও ভিডিও নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
খালিদ আবার দিল্লি হাইকোর্টে জামিনের আবেদন করেছেন, যা তার অষ্টম দফা আবেদন হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে; আগস্টের শেষ দিকে শুনানির কথা রয়েছে। ২০২৬ সালের ৫ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট পাঁচ সহ-অভিযুক্তকে জামিন দিলেও খালিদ ও শরজিল ইমামকে দেয়নি। নাগরিক অধিকার সংগঠনগুলো দীর্ঘ বিচারপূর্ব আটক ও ইউএপিএর কঠোর জামিন বিধান নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।