জুলাই বিপ্লবের পর শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, ছাত্র ইউনিয়ন ও জাতীয় ছাত্রশক্তিসহ একাধিক সংগঠন সক্রিয় হয়েছে। ৯ আগস্ট প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে শিক্ষার্থী ও সংগঠনগুলোর বক্তব্যে উঠে এসেছে, বহুমতের এই পরিবেশে সহাবস্থানের দাবি থাকলেও আধিপত্য বিস্তার, মতদমন এবং অনলাইন আক্রমণ নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ রয়েছে। ৫ আগস্টের পর ছাত্রদলের নতুন কমিটি, ছাত্রশিবিরের আংশিক কমিটি এবং চলতি মাসে ছাত্রশক্তির আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়।
ছাত্রদল বলছে, ছাত্রশক্তির বর্তমান নেতৃত্বের অনেকে আগে লেজুড়ভিত্তিক ছাত্ররাজনীতি বন্ধের দাবি করেছিলেন। ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক রাশিদ আবরার বলেন, সে সময় বহু সংগঠনের কর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থী এমন দাবি তুলেছিলেন; পরে প্রশাসন সব সংগঠনের সঙ্গে আলোচনা করে ছাত্ররাজনীতি চালুর সিদ্ধান্ত নেয়। ছাত্র ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের অনলাইন আক্রমণ এবং ছাত্রশক্তির একাংশের উগ্র আচরণের অভিযোগ করেছে, যা ছাত্রশিবির অপপ্রচার বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।
শাকসু স্থগিত হওয়া নিয়েও ছাত্রশিবির ও ছাত্রশক্তি ছাত্রদলকে দায়ী করেছে; ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাঈম সরকার দায় ইসলামী ছাত্রশিবির ও তাদের সহযোগী প্রশাসনের ওপর দিয়েছেন। শিক্ষার্থীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ক্যাম্পাসে মতপ্রকাশ পুরোপুরি ভয়মুক্ত নয় এবং ভিন্নমতকারীরা অনলাইনে ট্রলের শিকার হন। পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের প্রধান নজরুল ইসলাম সংগঠনগুলোকে আধিপত্যের রাজনীতি এড়িয়ে শিক্ষার্থীকল্যাণমুখী সংগঠনে রূপান্তরের আহ্বান জানান।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।