রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত পর্যন্ত আধুনিক যুদ্ধ ক্রমেই দীর্ঘস্থায়ী, বহুমাত্রিক ও অনিশ্চিত হয়ে উঠছে। উৎসে বলা হয়েছে, ড্রোন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার হামলা, অর্থনৈতিক চাপ, জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন, স্যাটেলাইট যোগাযোগ ও নির্ভুল অস্ত্র যুদ্ধ পরিচালনা এবং তার মূল্যায়নের ধরন বদলে দিচ্ছে। সামরিক শক্তিতে এগিয়ে থাকা পক্ষের জন্যও দ্রুত ও নিশ্চিত বিজয় আর নিশ্চিত নয়।
সংঘাতের প্রভাব এখন জ্বালানি বাজার, বাণিজ্যপথ, আর্থিক ব্যবস্থা ও সরবরাহ শৃঙ্খল পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ছে। হরমুজ প্রণালিতে চলাচল বাধাগ্রস্ত হলে বিশ্ববাজারে তেল ও অন্যান্য পণ্যের সরবরাহে চাপ তৈরি হতে পারে। রাশিয়ার তেল শোধনাগারে ইউক্রেনের হামলা মস্কোর সামরিক সক্ষমতার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারেও অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে। ‘আন্ডারস্ট্যান্ডিং দ্য নিউ এজ অভ ওয়ার’ নিবন্ধে বিশ্লেষক হায়দার সামরিক পদক্ষেপের পরোক্ষ ফলকেও গুরুত্বপূর্ণ বলেছেন।
উৎসটি বলছে, দীর্ঘ যুদ্ধ চালাতে উন্নত অস্ত্রের পাশাপাশি গোলাবারুদ, ক্ষেপণাস্ত্র, যন্ত্রাংশ উৎপাদন ও স্থিতিশীল সরবরাহব্যবস্থা প্রয়োজন। ড্রোন ও পাল্টা ড্রোন প্রযুক্তির প্রতিযোগিতা দ্রুত বদলাচ্ছে, আর এআই স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র, লক্ষ্য শনাক্তকরণ ও মানবীয় নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নৈতিক ও আইনি প্রশ্ন তুলছে। একই যুদ্ধের অভিজ্ঞতা সব দেশে প্রয়োগ করা যায় না, কারণ ভূগোল, রাজনৈতিক লক্ষ্য ও সামরিক সক্ষমতা ভিন্ন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।