বুরকিনা ফাসো শুক্রবার ঘোষণা করেছে যে তারা সাবেক ঔপনিবেশিক শাসক ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে। জাতীয় টেলিভিশনে পাঠ করা এক বিবৃতিতে জানানো হয়, সরকার ফ্রান্সের সঙ্গে সম্পর্ক শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা ক্যাপ্টেন ইব্রাহিম ত্রাওরের নেতৃত্বে দেশটি পশ্চিমা দেশ, বিশেষ করে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে কঠোর নীতি অনুসরণ করছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ফ্রান্স ক্রমাগত বুরকিনা ফাসোর স্বার্থবিরোধী কাজ করছে। যোগাযোগমন্ত্রী গিলবার্ট ওয়েদ্রাওগো জানান, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বিশ্বাস, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে সম্পর্ক বজায় রাখার পরিবেশ আর নেই। তিনি বলেন, প্যারিসের সঙ্গে সম্পর্ক গভীরভাবে পর্যালোচনার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ওয়েদ্রাওগো ফ্রান্সের বিরুদ্ধে ‘নব্য ঔপনিবেশিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা’ এবং সাহেল অঞ্চলে সন্ত্রাসীদের সমর্থনের অভিযোগ তোলেন। এই পদক্ষেপ দেশটির পশ্চিমা প্রভাব থেকে দূরে সরে যাওয়ার নীতিকে আরও জোরদার করেছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।