প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় সংসদে জানান, পূর্ববর্তী আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিদেশে পাচার হওয়া আনুমানিক ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ফেরাতে সাতটি দেশের সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তিনি বলেন, পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে তথ্য বিনিময়, সম্পদ শনাক্তকরণ এবং পারস্পরিক আইনি সহায়তা জোরদার করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী জানান, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, থাইল্যান্ড, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও হংকং-চীনসহ দশটি দেশকে অর্থ পাচারের গন্তব্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে মালয়েশিয়া, হংকং ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে সম্মতি হয়েছে, আর বাকি সাত দেশের সঙ্গে প্রক্রিয়া চলছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের নেতৃত্বে একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে, যা ১১টি যৌথ তদন্ত দলের মাধ্যমে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত মামলাগুলো পরিচালনা করছে।
তিনি আরও জানান, দেশে ও বিদেশে প্রায় ৭০ হাজার ৪৪৬ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ করা হয়েছে এবং ১৪১টি মামলা দায়ের হয়েছে, যার মধ্যে ছয়টির রায় ঘোষণা করা হয়েছে। সরকার দুর্নীতি ও মানিলন্ডারিং দমনে বিদেশে পাচারকৃত সম্পদ পুনরুদ্ধারকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।