Web Analytics

নেপাল-তিব্বত সীমান্তবর্তী হিমালয় অঞ্চলে গত ২৬ আগস্ট ভয়াবহ বন্যা ও হিমবাহ ধস বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকির সতর্কবার্তা হিসেবে উঠে এসেছে। বরফ, পাথর, কাদা ও পানির প্রবল স্রোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সর্বশেষ হিসাবে নেপাল ও তিব্বতে মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ছাড়িয়েছে এবং প্রায় ৪ হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। নেপালের গ্রাম, সড়ক, সেতু ও জলবিদ্যুৎ অবকাঠামোও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, জলবায়ু দুর্যোগের ক্ষতি ও তা মোকাবিলার সক্ষমতা দেশভেদে ভিন্ন। ধনী দেশগুলো পুনর্গঠন, ব্যবসায় সহায়তা ও পুনর্বাসনে দ্রুত বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করতে পারে, কিন্তু দরিদ্র ও উন্নয়নশীল দেশগুলোতে প্রাণহানি ও অর্থনৈতিক চাপ বেশি। বিভিন্ন প্রতিবেদনে নেপালের পুনর্গঠনে কয়েক বিলিয়ন ডলার লাগতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ভারত, ক্যারিবীয় অঞ্চল ও সুদানেও তাপপ্রবাহ, ঝড়, খরা, এল নিনোর প্রভাব ও সংঘাত জলবায়ু ঝুঁকিকে বাড়াচ্ছে।

প্রতিবেদনটি জলবায়ু ন্যায়বিচারের প্রশ্নও তুলেছে, কারণ ঐতিহাসিকভাবে ধনী শিল্পোন্নত দেশগুলোর নিঃসারণ বেশি হলেও ক্ষতি বহন করছে অপেক্ষাকৃত দরিদ্র দেশগুলো। দ্রুত নিঃসারণ কমানো, জলবায়ু অর্থায়ন ও প্রযুক্তি সহায়তা বাড়ানো এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানানো হয়েছে। দুর্যোগ খাদ্য উৎপাদন, সরবরাহব্যবস্থা, অভিবাসন ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকেও প্রভাবিত করতে পারে বলে এতে সতর্ক করা হয়েছে।

Card image

Related Rumors

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।