মধ্যপ্রাচ্যগামী যাত্রীদের বিমান টিকিটে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মানা হচ্ছে না বলে প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে। ১৫ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, টিকিটে ট্রাভেল এজেন্সির নাম, লাইসেন্স নম্বর ও প্রকৃত মূল্য অনেক ক্ষেত্রে নেই। ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ম্যাজিস্ট্রেটের টিকিট মনিটরিংও প্রায় বন্ধ থাকায় টিকিট সিন্ডিকেট আবার সক্রিয় হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি।
২০২৫ সালের ১১ ফেব্রুয়ারির পরিপত্রে যাত্রীর নাম ও পাসপোর্ট নম্বর ছাড়া বুকিং না করা এবং মধ্যপ্রাচ্য রুটের গ্রুপ বুকিং ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নামসহ নিশ্চিত করার নির্দেশ ছিল। তদন্তে অগ্রিম অর্থ দিয়ে নামবিহীন গ্রুপ টিকিট দীর্ঘ সময় ব্লক করে পরে অননুমোদিত এজেন্টদের মাধ্যমে উচ্চমূল্যে বিক্রির অভিযোগ উঠে আসে। সরকারি তদন্তে ১১টি আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্স, তাদের জিএসএ ও ৩০টি ট্রাভেল এজেন্সির বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রমাণ পাওয়ার কথা বলা হয়েছে।
বর্তমান সরকার জিরো টলারেন্স নীতি ও আইনগত পদক্ষেপের আশ্বাস দিলেও মাঠপর্যায়ে টাস্কফোর্সের কার্যক্রম দৃশ্যমান নয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। মন্ত্রী আফরোজা খানম রীতা বলেন, ভাড়া চাহিদা, সময়, মৌসুম, আসনপ্রাপ্যতা ও বাজার পরিস্থিতিভিত্তিক ডাইনামিক প্রাইসিংয়ে নির্ধারিত হয়। তিনি জানান, টিকিটে মূল্য, এজেন্সির নাম ও লাইসেন্স নম্বর উল্লেখ বাধ্যতামূলক এবং অনিয়মে নিবন্ধন বাতিলসহ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।