বায়রা লাইফ ইনস্যুরেন্সের অসংখ্য গ্রাহক পলিসির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও বছরের পর বছর জমাকৃত অর্থ ও মূলধন পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন। ২৭ জুলাই ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে কুমিল্লার নুরজাহান বেগম, নোয়াখালীর নুরুন্নবী, আলমগীরসহ কয়েকজন ভুক্তভোগী জানান, বারবার অফিসে গিয়েও তারা প্রাপ্য অর্থ পাননি। কোম্পানিটি স্বীকার করেছে যে মেয়াদপূর্তির অর্থ এককালীন পরিশোধের মতো আর্থিক সক্ষমতা এখন তাদের নেই।
কোম্পানির কর্মকর্তাদের মতে, ২০১০ সাল থেকে বিভিন্ন পলিসির মেয়াদপূর্তি শুরু হলেও তখন থেকেই অর্থ পরিশোধ কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। গ্রাহকদের অভিযোগের পর সরকারি সিদ্ধান্তে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম বন্ধ করা হয়। জেনারেল ম্যানেজার মোবারক হোসেন বলেন, বর্তমানে নতুন ব্যবসা বা প্রিমিয়াম সংগ্রহ নেই এবং বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা পরিশোধিত মূলধনের সুদ থেকে মাসে ১৫ থেকে ২২ লাখ টাকা দিয়ে অফিস চালানো হচ্ছে। প্রতিদিন গড়ে ১০০ গ্রাহক লভ্যাংশের টাকা চাইতে আসেন বলেও তিনি জানান।
আইডিআরএ বায়রা লাইফসহ সাতটি কোম্পানিকে লাল তালিকাভুক্ত করেছে; এসব প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৬৫ লাখ পলিসি পেন্ডিং এবং মোট দাবি প্রায় ৪ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মেট্রোরেল প্রকল্পে অধিগ্রহণ হওয়া বায়রা লাইফের মালিবাগের জমি থেকে প্রায় ৫৪ কোটি টাকা বিশেষ হিসাবে রাখা হবে, যা গ্রাহকদের দাবি মেটাতে ব্যবহার হবে। তবে মোট বকেয়া ৫৮ থেকে ৬০ কোটি টাকা হওয়ায় ৮ থেকে ১০ কোটি টাকার ঘাটতি থাকবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।