দীর্ঘদিন লোকসানে থাকা বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল পুনরুজ্জীবনে কারিগরি দক্ষতা ও আর্থিক সহায়তার আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিয়েছে পাকিস্তান। বাংলাদেশ-পাকিস্তান দ্বিপক্ষীয় যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের প্রথম ভার্চুয়াল বৈঠকে প্রস্তাবটি দেওয়া হয়। শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বেনজীর রিয়াতির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দুই দেশের উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিদল অংশ নেয়। মিলগুলোর সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা, জরুরি মেরামত ও আধুনিকায়নে যৌথ উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
পাকিস্তানের রাষ্ট্রায়ত্ত হেভি মেকানিক্যাল কমপ্লেক্স, ট্যাক্সিলা নির্বাচিত চিনিকলের কারিগরি নিরীক্ষা করবে এবং ব্যালেন্সিং, মর্ডানাইজেশন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন রূপরেখা তৈরি করবে। প্রতিষ্ঠানটি আগে নাটোর ও পাবনা চিনিকল স্থাপনে কাজ করেছে। দুই পক্ষ মিলগুলোকে বহুমুখী পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের বিষয়ে একমত হয়েছে। আধুনিকায়নের পর বিদ্যুৎ, চিটাগুড় থেকে বায়ো-ইথানল এবং প্রেস-মাড থেকে জৈবসার উৎপাদনের সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে।
সরেজমিন মূল্যায়ন ও সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে পাকিস্তানের কারিগরি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে আসবে এবং তাদের যাতায়াত ও কার্যক্রমের ব্যয় পাকিস্তান বহন করবে। বিএসএফআইসি কূটনৈতিক মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কারিগরি ও পরিচালন তথ্য দেবে। ১৫টি মিলের মধ্যে বর্তমানে নয়টি সচল; ২০২০ সালে ছয়টিতে উৎপাদন স্থগিত করা হয়েছিল। শিল্পসচিব আব্দুন নাসের খান বলেন, পাকিস্তানের প্রস্তাবগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।