পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের রিঅ্যাক্টরের নিরাপত্তা ভালভে বারবার ত্রুটি দেখা দেওয়ায় বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ উৎপাদন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। কর্মকর্তা, রাশিয়া ও বাংলাদেশের প্রকৌশলী এবং কারিগরি বিশেষজ্ঞরা চলতি বছরের মধ্যে এটি মেরামতের সম্ভাবনা দেখছেন না। আগস্টে জাতীয় গ্রিডে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়নি এবং সেপ্টেম্বরে কমিশনিংয়ের ঘোষণাও অনিশ্চয়তায় পড়েছে।
দুই ইউনিটে ২,৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার প্রকল্পটি বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের অধীনে নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়েছে। প্রাথমিক ব্যয় এক লাখ ১৩ হাজার ৯২ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে এক লাখ ৩৯ হাজার কোটি টাকা করা হয়; এর ৯০ শতাংশ ঋণ দিয়েছে রাশিয়া।
রুশ কর্তৃপক্ষ প্রথম ইউনিট চালুর জন্য দ্বিতীয় ইউনিটের নিরাপত্তা ভালভ স্থানান্তরের প্রস্তাব দিলেও বাংলাদেশ তা গ্রহণ করেনি। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী বলেছেন, ত্রুটির কারণ নির্ধারণে রাশিয়া থেকে বিশেষজ্ঞ দল আসবে এবং ভালভ পুরোপুরি বদলাতে হতে পারে। রাশিয়ার ১,১৩৮ কোটি ডলারের ঋণের কিস্তি পরিশোধ ২০২৭ সালের শুরুতে শুরু হওয়ার কথা; সুদ পরিশোধ শুরু হয়েছে ২০১৮ সালে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।