বৈশ্বিক প্রভাব ও নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ইতিহাসের সর্বোচ্চ সামরিক বাজেট বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। ২০২৬ সালের ১৬ এপ্রিল প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস দেশটির প্রতিরক্ষা কৌশলের সর্বশেষ দ্বিবার্ষিক হালনাগাদ প্রকাশ করে জানান, আগামী এক দশকে প্রতিরক্ষা খাতে অতিরিক্ত ৫ হাজার ৩০০ কোটি অস্ট্রেলীয় ডলার (৩৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) ব্যয়ের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। চলতি বছর জিডিপির ২.৮ শতাংশ থেকে ২০৩৩ সালের মধ্যে প্রতিরক্ষা বাজেট ৩ শতাংশে উন্নীত করা হবে।
মার্লেস বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ের মধ্যে অস্ট্রেলিয়া বর্তমানে সবচেয়ে জটিল ও হুমকিপূর্ণ পরিস্থিতির মুখোমুখি। তিনি স্পষ্ট করেন, এই সিদ্ধান্ত কোনো বাহ্যিক চাপে নয়, বরং বর্তমান কৌশলগত বাস্তবতার ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছে। এর আগে জানুয়ারিতে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ মিত্র দেশগুলোকে নিজেদের নিরাপত্তার দায়িত্ব বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছিল।
নতুন বিনিয়োগের বড় অংশ ব্যয় হবে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের সঙ্গে অকাস জোটের আওতায় পরমাণু শক্তিচালিত সাবমেরিন তৈরিতে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া বৈশ্বিক অস্থিতিশীলতা ও ইরান সংশ্লিষ্ট ভূরাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্যে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে চায়।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।