জাতীয় সংসদে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) বিল পাসের পর জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সব সদস্য পদত্যাগ করেছেন। ২০২৬ সালের ৯ এপ্রিল কণ্ঠভোটে পাস হওয়া এই বিল রাষ্ট্রপতির অনুমোদন ও গেজেট প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর হবে। এর ফলে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা অধ্যাদেশ বাতিল হয়ে যায় এবং আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ২০০৯ সালে প্রণীত জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন পুনরায় চালু হয়। পদত্যাগের পর কমিশনের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে একটি খোলাচিঠি পাঠানো হয়েছে।
বিদায়ী সদস্য নূর খান জানান, সরকার তাদের পদত্যাগের কথা বলেনি, তবে একধরনের অনিশ্চয়তার মধ্যে রাখা হয়েছিল। যেহেতু তারা বাতিল হওয়া অধ্যাদেশের অধীনে নিয়োগ পেয়েছিলেন, তাই পদত্যাগ করাই যথাযথ মনে করেছেন। কমিশনের সচিব কুদরত-এ-ইলাহী বলেন, অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ায় আগের কমিশন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিলুপ্ত হয়েছে। ২০২৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ পর্যায়ে হাইকোর্টের সাবেক বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীকে চেয়ারপারসন করে কমিশনের সদস্যদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।
এই পদত্যাগের মাধ্যমে কমিশন আবার ২০০৯ সালের আইনি কাঠামোয় ফিরে যাচ্ছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।